শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১০:০০ অপরাহ্ন
কাজী ফেরদৌস হোসাইন ইতালি||
প্রতি বছরের ন্যায় অক্টবর মাসের শেষ রবিবার *ডে লাইট সেভিং* এর শুরু হয়।আগামি সোমবার থেকে পৃথীবীর প্রায় ৭৫ টি দেশে ঘড়ির কাটা ঘুরিয়ে এক ঘন্টা পিছিয়ে দেওয়া হবে।সেক্ষেত্রে ডে লাইট সেভিং কৃত দেশ বাদে অন্যান্য দেশের সাথে সময়ে এক ঘন্টা পরিবর্তন দেখা যাবে।পৃথীবিতে প্রথমে ডে লাইট সেভিং এর ধারনা দেন একজন আমেরিকান , ওনার নাম হল বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন।
তিনি ১৯৮৪ সালে অনেকটা মজার ছলে প্যারিস এর এক পত্রিকার সম্পাদক কে একটি চিঠি পাঠান। ওই চিঠিতে লেখা ছিল যদি সময় এগিয়ে অথবা পিছিয়ে নোওয়া যেত তাহলে মোম্বাতির অনেক টা ক্ষয় কমানো যেত।সেই থেকেই বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন এর চিঠিতে যেটা লিখেছিলেন সেটা কতুটুকু প্রভাবফেলে সেটা পরীক্ষা করতে গিয়েই এই *ডে লাইট সেভিং* এর শুরু হয়।ঠিক তখন থেকে আস্তে আস্তে ৭৫ টি দেশের ভিতরে এই ডে লাইট সেভিং চালু হয়েছে।
দিনের আলো সঞ্চয়ী সময় বা ডে লাইট সেভিং টাইম হলো কোনও অঞ্চলের ভৌগলিক সময়ের সাথে কিছু সময় যোগ করে সময়ের কাঁটা এগিয়েবা পিছিয়ে দেয়া।
যেসব অঞ্চলে গ্রীষ্মকাল ক্ষণস্থায়ী, অর্থাৎ শীতপ্রধান দেশসমূহে। সাধারণতঃ বসন্তকালের শেষে এ সময় সংযোজনটি করা হয়। এর কিছু উপকারিতা আছে। যেহেতু মূল ভৌগলিক সময়ের চেয়ে কাঁটা এক ঘণ্টা ক’রে সামনে এগিয়ে দেয়া হয়, ফলে আপাতদৃষ্টে দিনের শেষ ভাগ দেরি করে বা আস্তে আস্তে যাচ্ছে ব’লে মনে হয়। ফলে আপেক্ষিকভাবে গ্রীষ্মের ছোট রাত আরও ছোট হ’য়ে পড়ে দিনের স্থায়িত্বের চেয়ে।
বাংলাদেশ ও এর থেকে পিছিয়ে ছিল না,২০০৯ সালে ১৯ শে জুন বাংলাদেশে এই ডে লাইট সেভিং চালু করা হয়।বাংলাদেশের নাগরিক এর সঠিক ব্যাবহার না করার ফলে আজও বাংলাদেশে সেই থেকে ঘড়ির কাটা ১ ঘন্টা এগিয়ে আছে।